• ৫ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ২০ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

CV Ananda Bose

কলকাতা

আচমকা ইস্তফার পর বাংলাবাসীর উদ্দেশে আবেগঘন চিঠি রাজ্যপাল আনন্দ বোসের

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর রাজ্যের মানুষকে উদ্দেশ করে একটি আবেগঘন খোলা চিঠি লিখলেন সিভি আনন্দ বোস। চিঠিতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন।চিঠির শুরুতেই তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে নিজের প্রিয় ভাই ও বোন বলে উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, এই রাজ্যের মানুষের ভালোবাসা, সমর্থন এবং সহযোগিতার জন্য তিনি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। রাজ্যপাল হিসেবে তাঁর দায়িত্ব শেষ হলেও পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কখনও শেষ হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর কথায়, পশ্চিমবঙ্গ এখন তাঁর দ্বিতীয় বাড়ি এবং ভবিষ্যতেও তিনি এই রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন।চিঠিতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের আন্তরিকতা ও উষ্ণতার কথা স্মরণ করেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা হওয়া, শিশুদের উচ্ছ্বাস, তরুণদের দৃঢ় করমর্দন এবং প্রবীণদের স্নেহময় দৃষ্টিএই সব স্মৃতি তাঁর কাছে অমূল্য হয়ে থাকবে বলে জানান তিনি।আনন্দ বোস মহাত্মা গান্ধীর একটি উক্তির কথাও উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন তিনি বাংলাকে ছেড়ে যেতে পারেন না এবং বাংলা তাঁকে যেতে দেবে না। এই কথার সঙ্গে নিজের অনুভূতির মিল খুঁজে পেয়েছেন বলেও তিনি জানান।চিঠিতে তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উক্তির কথাও তুলে ধরেন। সেখানে শ্রমজীবী মানুষের মধ্যেই ঈশ্বরের উপস্থিতির কথা বলা হয়েছে। গত কয়েক বছরে তিনি রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন বলে জানান। গ্রামের মানুষের বাড়িতে বসে খাওয়া, ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে পড়াশোনা করা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করার অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে খুবই মূল্যবান বলে তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও লেখেন, বাংলার মানুষ তাঁদের সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে গর্ব অনুভব করেন এবং এই বিষয়টি বাংলার মানসিকতার পরিচয় দেয়।চিঠির শেষে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে আগামী দিনে বাংলা আরও সাফল্যের শিখরে পৌঁছাবে। সবশেষে তিনি বাংলার মানুষের সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ কামনা করে লেখেন, মা দুর্গা যেন এই রাজ্যের মানুষকে রক্ষা করেন।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

ধরনা শেষ করেই প্রাক্তন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা মমতার! কেন্দ্রকে নিশানা করে বড় মন্তব্য

ধর্মতলায় একশো এক ঘণ্টা ধরে চলা ধরনা কর্মসূচি শেষ করার পরেই প্রাক্তন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্তমানে রাজ্য সরকারের অতিথিশালায় রয়েছেন প্রাক্তন রাজ্যপাল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ধর্মতলা থেকে সোজা সেখানে যান মুখ্যমন্ত্রী। দেখা করার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখিও হন তিনি। সেই সময় আবারও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে দেখা যায় তাঁকে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যেহেতু প্রাক্তন রাজ্যপাল পরের দিন রাজ্য ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, তাই তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন। তিনি জানান, আনন্দ বোসের সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর এবং তাঁদের মধ্যে ভালো সম্পর্কও ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ভোটের আগে আচমকা তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। তিনি বলেন, নিজের মনের কথাও আনন্দ বোসকে জানিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁকে আবার বাংলায় আসার আমন্ত্রণও জানিয়েছেন।এই সাক্ষাৎ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তাও প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি প্রাক্তন রাজ্যপাল আনন্দ বোসের প্রশংসা করেন। মমতা লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল ডক্টর সিভি আনন্দ বোস রাজ্য ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। ধর্মতলায় পাঁচ দিনের ধরনা কর্মসূচি শেষ করার পর তিনি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী আরও লেখেন, আনন্দ বোস অত্যন্ত পণ্ডিত ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তাঁর দায়িত্ব পালনের সময় রাজ্যের উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক নানা বিষয়ে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করার সুযোগ হয়েছিল। সেই আলাপচারিতা তাঁর কাছে সবসময় মূল্যবান হয়ে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন মমতা।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, আনন্দ বোসের আগামী দিনের সমস্ত উদ্যোগ ও দায়িত্বের জন্য তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁর অগাধ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের পথচলায় আরও বড় সাফল্য এনে দেবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

মার্চ ১০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে হঠাৎ পদত্যাগ! অবশেষে মুখ খুললেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস

ভোটের আগে আচমকা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের পদত্যাগ ঘিরে এখনও জল্পনা থামেনি। তিনি কি কোনও চাপের মুখে পড়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। মুখ্যমন্ত্রীও এই বিষয়ে ইঙ্গিত করে বিজেপির দিকে আঙুল তুলেছেন। তবে সেই জল্পনার মধ্যেই রবিবার কলকাতায় ফিরে নিজেই মুখ খুললেন সিভি আনন্দ বোস।দমদম বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়ে কিছুটা দার্শনিক সুরেই তিনি বলেন, এটি তাঁর নিজের সচেতন সিদ্ধান্ত। তাঁর কথায়, এটাই বিদায় নেওয়ার সঠিক সময়। একজন গেলে তবেই তো আরেকজন আসবে।এ সময় তিনি করজোড়ে প্রণাম জানিয়ে বলেন, বাংলায় যে সময় তিনি কাটিয়েছেন, তা তাঁর কাছে খুবই সুন্দর অভিজ্ঞতা। বাংলার মানুষের ভালোবাসা তিনি পেয়েছেন বলেও জানান। পাশাপাশি তিনি এও জানান, এখন তিনি চৌরঙ্গী বিধানসভা কেন্দ্রের একজন ভোটার হয়েছেন। সেটি তাঁর কাছে দ্বিগুণ আনন্দের বিষয়।তবে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু বলতে চাননি বিদায়ী রাজ্যপাল। আসন্ন নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হবেন কি না বা অন্য কোনও ক্ষেত্রে কাজ করবেন কি না, সে বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি। তাঁর কথায়, আপাতত সে ধরনের কোনও পরিকল্পনা নেই।তবে ভোটের মুখে তাঁর এই পদত্যাগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই মনে করছেন, এর পিছনে বড় কোনও রাজনৈতিক ইঙ্গিতও থাকতে পারে।

মার্চ ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে রাজ্যপাল পদ ছাড়লেন সিভি আনন্দ বোস! বাংলায় আসছেন বিতর্কিত আর এন রবি?

ভোটের আগে হঠাৎই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সি ভি আনন্দ বোস (Bengal Governor)। কেন তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বড় দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পোস্টেই উঠে এসেছে বাংলার সম্ভাব্য নতুন রাজ্যপালের নাম (Bengal Governor)।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁকে জানিয়েছেন যে আর এন রবি-কে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে (Bengal Governor)। তবে এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে আগে কোনও আলোচনা করা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।কে এই আর এন রবি, তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তাঁর পুরো নাম রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। তিনি উনিশশো ছিয়াত্তর সালের কেরল ক্যাডারের ভারতীয় পুলিশ পরিষেবার আধিকারিক। জন্ম বিহারের পাটনায়, ১৯৫২ সালের ৩ এপ্রিল। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর দেশসেবার লক্ষ্য নিয়ে প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দেন।কর্মজীবনের বড় অংশ কেটেছে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা বিভাগে। তিনি দীর্ঘদিন ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো-তে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। বিশেষ করে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহ দমন এবং জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হয়। পরে তিনি ভারত সরকারের জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটি-র চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।তাঁর কর্মজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নাগা শান্তি আলোচনা। দীর্ঘদিন ধরে চলা জটিল সমস্যার সমাধানে তিনি ভারত সরকারের প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। এই সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে দেশের উপ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদেও নিয়োগ করা হয়।পরবর্তীতে তিনি রাজ্যপাল হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন। ১৯১৯ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল ছিলেন। সেই সময় কিছুদিনের জন্য মেঘালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করেন। এরপর ২০২১ সাল থেকে তিনি তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে কাজ করছেন।তবে তামিলনাড়ুতে তাঁর সময়কাল বারবার বিতর্কের কেন্দ্রেও এসেছে। রাজ্য সরকারের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন এক সময় তাঁকে কেন্দ্রের এজেন্ট বলেও কটাক্ষ করেছিলেন। পরে রাজ্য সরকার তাঁর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টেও যায়। অভিযোগ ছিল, রাজ্যপাল দীর্ঘ সময় ধরে একাধিক বিল আটকে রেখেছিলেন।এবার সেই বিতর্কিত রাজ্যপালের নামই ঘুরে বেড়াচ্ছে বাংলার নতুন রাজ্যপাল হিসেবে। গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত বারবার খবরের শিরোনামে এসেছে। তাই আর এন রবি এলে সেই সংঘাত কি আবার নতুন করে শুরু হবে, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

‘বাংলার দত্তক সন্তান হতে চাই’—ভোটার তালিকায় নাম চান রাজ্যপাল, আলোড়ন রাজ্যে

রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস বাংলার ভোটার হতে শেষ মুহূর্তে আবেদন করলেন। বৃহস্পতিবার এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ দিনেই লোকভবনে গিয়ে বিএলও এবং সুপারভাইজারদের হাতে আবেদনপত্র তুলে দেন তিনি। রাজ্যপালের কথায়, তিনি বাংলার দত্তক সন্তান হতে চান। রবীন্দ্রনাথের বাংলায়, নেতাজির আদর্শে বড় হওয়া বাংলার সঙ্গে মানসিক ভাবে যুক্ত থাকতে চান তিনি। নিজে বোস পদবীর মানুষএই বাংলার ভোটার হওয়ার ইচ্ছা তাঁর অনেক দিনের।চৌরঙ্গী বিধানসভার ১৬২-র ৩৮ নম্বর পার্টের ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁর নাম তোলা হবে। আজ সকালে ওই এলাকার বিএলও গৌরাঙ্গ মালাকার রাজ্যপালের কাছে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথি ও ফর্ম নেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সুপারভাইজার অশোক তিওয়ারি ও জয়ন্ত ঘোষ। গৌরাঙ্গবাবু জানান, আগেই তাঁরা ফর্ম দিয়ে গিয়েছিলেন। এবার রাজ্যপাল নিজে নতুন ফর্ম পূরণ করে জমা দিয়েছেন।রাজ্যপাল হয়ে বাংলায় এসে আনন্দ বোস বারবারই জানিয়েছেন, বাংলা ভাষার প্রতি তাঁর গভীর টান আছে। বাংলা শেখার চেষ্টা করেছেন, সরস্বতী পুজোয় রাজভবনে হাতে খড়িও নিয়েছেন। তাঁর দায়িত্বের শুরুতে রাজনৈতিক মহলের ধারণা ছিল, রাজভবন ও রাজ্যের সম্পর্ক হয়তো স্বাভাবিক থাকবে। তবে পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয় এবং সেই সম্পর্কে ভাঙন দেখা দেয়।প্রথমে শোনা গিয়েছিল, তিনি কেরলের ভোটার হওয়ায় বাংলার ভোটার হতে চান না। কিন্তু পরে মত বদলে তিনি আগ্রহ দেখান। নিয়ম অনুযায়ী, রাজ্যপাল চাইলে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের ভোটার হতে পারেন। শুধু লোকভবন থেকে নির্বাচন কমিশনে একটি চিঠি গেলেই তাঁর নাম ভোটার তালিকায় যোগ হয়। সাধারণ নাগরিকের মতো যাচাইপ্রক্রিয়াও নেই।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
কলকাতা

ঔপনিবেশিক নামের অবসান, বাংলার রাজভবন এখন জনগণের ‘লোক ভবন’

বাংলার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস-এর আবেদনে এবার সিলমোহর দিল কেন্দ্র। দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক ছাপ সরিয়ে রাজভবনের নতুন নাম ঠিক হল লোক ভবন। কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদনের পর ইতিমধ্যেই রাজভবনের এক্স হ্যান্ডেলের নাম বদলে দেওয়া হয়েছে লোকভবন। সেই এক্স হ্যান্ডেল থেকেই নতুন নামকরণের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, সাধারণ মানুষের সঙ্গে আরও নিবিড় যোগ তৈরি করতেই এই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঔপনিবেশিক নাম ছেড়ে এবার মানুষের রাজভবন হিসেবেই পরিচিত হতে চলেছে লোক ভবন।

নভেম্বর ২৯, ২০২৫
কলকাতা

রাজভবন থেকে বন্দুক-বোমা? তৃণমূল সাংসদের বিস্ফোরক দাবির পর রাতারাতি সিংহদুয়ার খুলে গেল!

রাজভবন থেকে বন্দুক আর বোমা সরবরাহ করা হচ্ছেতৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বিস্ফোরক মন্তব্যে শনিবার রাতেই অস্বাভাবিক নড়াচড়া শুরু হয় রাজভবনে। আর তার পরদিন রবিবার ভোর পাঁচটা থেকেই ঘটে গেল এক নজিরবিহীন পদক্ষেপ। সাধারণ মানুষ, সাংসদ এবং সাংবাদিকমোট প্রায় ১০০ জনের জন্য খুলে দেওয়া হল রাজভবনের সিংহদুয়ার। যেন কল্যাণের অভিযোগের উত্তরে রাজভবন সরাসরি বলছেএসে দেখে যান, কোথায় বন্দুক বা গোলাবারুদ!তবে ঘটনাপর্ব শুরু হয়েছিল বিহার নির্বাচন নিয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের মন্তব্যকে ঘিরে। তিনি বলেন, এসআইআর পদ্ধতি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন, এবং বিহারের মতো বাংলাতেও মানুষ এই পদ্ধতি গ্রহণ করবেন। তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সোজাসুজি অভিযোগ করেন যে রাজভবনে নাকি বিজেপির অপরাধীরা আশ্রয় পাচ্ছেন, এবং রাজ্যপাল তাঁদের বন্দুক-বোমা দিয়ে তৃণমূল কর্মীদের মারতে উস্কানি দিচ্ছেন। তিনি রাজ্যপালকে অপদার্থ বলেও আক্রমণ করেন।এই অভূতপূর্ব অভিযোগ রাজভবনকে স্পষ্টতই নড়িয়ে দিয়েছে। রাতেই বিবৃতি জারি করে জানানো হয়, সাংসদ যাঁরা রাজভবনে অস্ত্রের মজুত নিয়ে অভিযোগ করছেন, তাঁরা নিজে এসে চোখে দেখে যেতে পারেন। প্রয়োজন হলে নিজেরাই তদন্ত করতে পারেন। অভিযোগ মিথ্যে প্রমাণিত হলে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কেই জনতার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে বলে কড়া ভাষায় বার্তা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সাংসদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করার কথাও জানানো হয়। এমনকি লোকসভার স্পিকারের কাছেও তদন্তের আবেদন করা হবে বলে সূত্রের খবর।অন্যদিকে, রাজভবনেই বসবাস করেন রাজ্যপাল। আর সেই জায়গায় অস্ত্র ঢুকতে পারে কীভাবেএই প্রশ্নেই নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রাজ্যপালের নিরাপত্তা বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হলেও তিনি নাকি রাজভবনেই থাকার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। কলকাতা পুলিশের ওপরেই রয়েছে রাজভবনের নিরাপত্তার দায়িত্ব। ফলে অস্ত্র মজুতের অভিযোগ উঠতেই স্বাভাবিকভাবেই নজরে এসেছে পুলিশের ভূমিকাও।ভোরের আলো ফুটতেই রাজভবনের বিশাল দরজা খুলে যাওয়া এবং সাধারণ মানুষকে ভেতরে ঢোকার সুযোগ দেওয়াএমন দৃশ্য কলকাতায় এর আগে প্রায় দেখা যায়নি। প্রশাসনিক মহল থেকে রাজনৈতিক মহলসব জায়গাতেই এখন একটাই প্রশ্ন, তৃণমূল সাংসদের অভিযোগ সত্যি, না কি রাজনৈতিক দড়ি টানাটানির অংশ? রাজভবনের দরজা খুলে দেওয়ার এই পদক্ষেপ ওই অভিযোগকেই নতুন মাত্রা দিয়েছে।অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ, তদন্তের দাবিএই সমস্ত কিছুতে রাজ্যের রাজনীতি এখন তুমুল উত্তপ্ত। রাজ্যপাল ও তৃণমূলের এই দ্বন্দ্ব আগামী দিনে কোন দিকে গড়ায়, সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা রাজ্য।

নভেম্বর ১৬, ২০২৫
রাজ্য

দুই তৃণমূল বিধায়কের শপথে ধনখড়ের দ্বারস্থ বিধানসভার অধ্যক্ষ, জটিলতা জারি

দুই বিধায়কের শপথ গ্রহণের জট কাটাতে এবার উপরাষ্ট্রপতি তথা প্রাক্তন রাজ্যপালকে ফোন করলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমন বন্দ্যোপাধ্যায়। শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে কিছুতেই কাটছে না জটিলতা। এবার উপনির্বাচনে জয়ী দুই তৃণমূল বিধায়কের শপথ গ্রহণ নিয়ে রাজভবন এবং রাজ্য সরকারের মধ্যে দড়ি টানাটানি তুমুল পর্যায়ে পৌঁছেছে।একদিকে তৃণমূলের নবনির্বাচিত দুই বিধায়ক চাইছেন বিধানসভায় শপথ নিতে। পাশাপাশি রাজ্যপাল চাইছেন বিধায়করা শপথ নিন রাজভবনে। বিধানসভায় শপথ নিতে চেয়ে তৃণমূলের দুই বিধায়ক রাজভবনে চিঠি দিয়েছেন। তবে সিভি আনন্দ বোসও পাল্টা চিঠিতে তাঁদের জানিয়েছেন বিধায়কদের শপথ গ্রহণ নিয়ে রাজ্যপালই শেষ কথা বলবেন।এদিকে এর মাঝেই আজ উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়কে ফোন করে দীর্ঘ সময় তাঁর সঙ্গে আলোচনা করেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, বর্তমান উপরাষ্ট্রপতি ধনখড় এর আগে বাংলার রাজ্যপাল পদে আসীন ছিলেন। তিনি রাজ্যপাল থাকার সময় নানা জটিলতা, সংঘাত তৈরি হয়েছিল রাজ্যের সঙ্গে। পরে বিধানসভায় এসে উপনির্বাচনে জয়ী বিধায়কদের শপথবাক্য পাঠ করান তিনি। এখন তিনি উপরাষ্ট্রপতি পদে আসীন। তিনি এরাজ্যের পরিস্থিতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। তিনি যাতে বর্তমান রাজ্যপালকে বিধানসভায় এসে নতুন বিধায়কদের শপথ গ্রহণের অনুরোধ জানান, সেই কারণেই এদিন ধনখড়কে ফোন করেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাতের মাঝেই রাজ্যপালকে সরাসরি নিশানা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, রাজভবনে যা চলছে মেয়েরা শপথ নিতে যেতে ভয় পাচ্ছে। তৃণমূলের নবনির্বাচিত দুই বিধায়ক চাইছেন বিধানসভায় শপথ নিতে। তবে রাজ্যপাল চাইছেন বিধায়করা শপথ নিন রাজভবনেই। বিধানসভায় শপথ নিতে চেয়ে তৃণমূলের দুই বিধায়ক ইতিমধ্যেই রাজভবনে চিঠি পাঠিয়েছেন।তবে সিভি আনন্দ বোসও পাল্টা চিঠিতে তাঁদের জানিয়েছেন, বিধায়কদের শপথ গ্রহণ নিয়ে রাজ্যপালই শেষ কথা বলবেন। বিধানসভা নয়, দুই বিধায়ককে শপথ নিতে হবে রাজভবনেই। তাঁর নির্দেশ অমান্যে বিধায়কদের জরিমানার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজ্যপাল।উল্লেখ্য, এবারের লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে রাজ্যের দুই বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভগবানগোলা এবং বরানগর কেন্দ্রে বিধানসভা উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছেন তৃণমূলের রেয়াত হোসেন সরকার এবং সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবনির্বাচিত এই দুই বিধায়ককে শপথ নেওয়ার জন্য রাজভবনে যেতে বলেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।

জুন ২৮, ২০২৪

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ওসিদের হুঁশিয়ারি! গাফিলতি হলেই বড় শাস্তি, কড়া নির্বাচন কমিশন

ভোটের আগে নিরাপত্তা নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। আগেই কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছিল, ভোটের দিনে অস্ত্র, বোমা বা গুলি যাতে কোথাও মজুত না থাকে, সে দিকে কড়া নজরদারি চালাতে হবে। তবুও কোথাও অস্ত্র বা বিস্ফোরক উদ্ধার হলে দ্রুত তা নিষ্ক্রিয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে থানার আধিকারিকেরা এই নির্দেশ মেনে কাজ শুরু করেছেন।নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন ভোট চায়। কোথাও অশান্তির ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনও রকম দেরি হলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করা হয়েছে। প্রথম দফার ভোটের আগে থানার ওসিদের কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। অতীতে যাঁদের বিরুদ্ধে ভোটে অশান্তির অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের এখনও কেন গ্রেফতার করা হয়নি, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে কমিশনের তরফে।শনিবার সকালে এই নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে জেলার পুলিশ সুপার, কমিশনারেটের আধিকারিক এবং থানার দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আলোচনা হয়। সেখানেই দায়িত্বে গাফিলতি হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই কড়া অবস্থানের ফলে ভোটের আগে প্রশাসনিক চাপ আরও বেড়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় ফাঁস! বাংলায় একের পর এক স্কুল বন্ধ, সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

ভোটের আগে বাংলায় অন্যতম বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে শিক্ষা ব্যবস্থা। শাসক থেকে বিরোধীসব রাজনৈতিক শিবিরই এখন প্রচারে ব্যস্ত, কিন্তু গত বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে যে সমস্যা বারবার সামনে এসেছে, তা হল স্কুলের বেহাল অবস্থা। দুর্নীতির অভিযোগের পাশাপাশি একের পর এক স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। মূলত দুর্বল পরিকাঠামো এবং শিক্ষকের অভাবএই দুই কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আট হাজারেরও বেশি স্কুল কেন বন্ধ হয়ে গেল, সেই প্রশ্ন বারবার তুলছে বিরোধীরা।কলকাতায় কিছু স্কুলে শিক্ষক থাকলেও জেলাগুলির অবস্থা অনেক খারাপ। সরকারি স্কুলে সাধারণত প্রান্তিক পরিবারের শিশুরাই পড়াশোনা করে। সেখানে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প থাকলেও বাস্তবে বহু স্কুলে পড়াশোনা কার্যত থমকে গেছে। পরিসংখ্যান বলছে, জেলার তুলনায় কলকাতায় প্রায় আড়াই গুণ বেশি শিক্ষক রয়েছেন, অথচ ছাত্রসংখ্যা সেখানে অনেক কম। শিক্ষক বদলির উদ্যোগের ফলে জেলার অনেক শিক্ষক শহরে চলে আসায় এই সমস্যা আরও বেড়েছে। ফলে জেলায় শিক্ষক কমে যাওয়ায় পড়ুয়াও কমেছে, আর ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে অনেক স্কুল।সরকারি স্তরে জেলায় শিক্ষক পাঠানোর কথা বলা হলেও তা কার্যকর হয়নি বলেই অভিযোগ। শিক্ষানীতিতে গ্রামে গিয়ে পড়ানোর বাধ্যবাধকতার কথা থাকলেও তা বাস্তবে মানা হয়নি। বদলি ব্যবস্থার সুযোগে অধিকাংশ শিক্ষক শহরমুখী হয়েছেন বলেই অভিযোগ উঠছে।পরিসংখ্যান আরও বলছে, স্কুলের সংখ্যার নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ অনেক পিছিয়ে। রাজস্থানে স্কুলের সংখ্যা বেশি, উত্তর প্রদেশে আরও বেশি। তবুও সেখানে শিক্ষক সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। রাজস্থানে একটি স্কুলে গড়ে ছয় জনের বেশি শিক্ষক থাকলেও বাংলায় সেই সংখ্যা পাঁচ জনেরও কম। ফলে শিক্ষক সঙ্কট আরও প্রকট হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতির প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। দমদমের একটি প্রাথমিক স্কুলে আর ক্লাস হয় না, ঘণ্টাও বাজে না। শিক্ষকের অভাবে বহু স্কুল কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। কোথাও কোথাও সেই স্কুলঘর এখন অন্য কাজে ব্যবহার হচ্ছে। শুধু দমদম নয়, জেলার বিভিন্ন জায়গায় একই ছবি দেখা যাচ্ছে।এই শিক্ষক সঙ্কট ভোটে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। শিক্ষামন্ত্রী নিজেও এই সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন এবং সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। অন্যদিকে বিরোধীরা এই ইস্যুকে সামনে রেখে প্রচার জোরদার করেছে। শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের একাংশের মতে, এক জন শিক্ষক দিয়ে যদি শতাধিক ছাত্রকে পড়াতে হয়, তাহলে শিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকেই এগোবে।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
কলকাতা

সোনা পাপ্পু যোগে নতুন রহস্য! বেহালায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে ইডির হানা

ভোটের আগে রবিবার সকাল থেকেই কলকাতার একাধিক জায়গায় ইডির তল্লাশি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি এবং বর্তমানে কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের দুটি ঠিকানায় হানা দেয় কেন্দ্রীয় সংস্থা। একই সঙ্গে বেহালায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়। জানা গিয়েছে, সান গ্রুপ-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয় কামদারের বাড়িতেও পৌঁছয় ইডি। আর্থিক প্রতারণা সংক্রান্ত মামলায় এই তল্লাশি চলছে বলে সূত্রের খবর।রবিবার ভোরেই মোট পাঁচটি গাড়িতে করে ইডির আধিকারিকরা পৌঁছন। তার মধ্যে তিনটি গাড়িতে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। সকাল ছটা নাগাদ তারা সংশ্লিষ্ট বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি শুরু করেন। কয়েকদিন আগেই এই বাড়ি থেকে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছিল ইডি। এরপর জয় কামদারকে দুবার তলব করা হলেও তিনি হাজিরা দেননি বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, যেদিন এই টাকা উদ্ধার হয়েছিল, সেদিনই সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকেও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি।এর আগেও ভোটের মুখে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর দফতরের তল্লাশি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। একাধিকবার তাঁর বাড়ি, দলীয় কার্যালয় এবং নির্বাচনী অফিসে অভিযান চালানো হয়। শুধু তাই নয়, ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রীর মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক মিরাজ শাহের বাড়িতেও হানা দেয় আয়কর দফতর। এই সব ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের তরফে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছিল এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ বলে অভিযোগ তোলা হয়।এই পরিস্থিতিতে আবারও একযোগে ইডির তল্লাশি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তদন্ত কতদূর এগোয় এবং এই অভিযান থেকে নতুন কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রাখছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
কলকাতা

সকাল সকাল ইডির চমক! কালীঘাটের প্রাক্তন ওসির বাড়িতে রবিবার সকালেই ইডির হানা

ভোটের মুখে আবারও সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। রবিবার সকালেই কলকাতায় ইডির হানায় চাঞ্চল্য ছড়াল। এবার ইডির নজরে কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি তথা বর্তমানে কলকাতা পুলিশের ডিসি পদে থাকা শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। সকালে গোলপার্কে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যায় ইডির একটি দল। সূত্রের খবর, তাঁর বাড়ির পাশেই থাকা একটি সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেও তল্লাশি চালানো হয়। তবে সেখানে সকাল থেকে তালা থাকায় তা খুলে তদন্ত শুরু করতে কিছুটা সময় লাগে।ঠিক কোন মামলায় এই তল্লাশি চলছে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। তবে এর আগেও কয়লা পাচার মামলায় শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব করেছিল ইডি। সেই তলবের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থও হয়েছিলেন। এছাড়াও মেডিক্যাল এনআরআই কোটায় ভর্তির দুর্নীতির অভিযোগেও তাঁকে ডাকা হয়েছিল। এবার সরাসরি তাঁর বাড়িতে হানা দেওয়ায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর মধ্যেই সাম্প্রতিক আরেকটি ঘটনার কথা উঠে আসছে। রাসবিহারীতে তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারের বাড়িতে আয়কর দফতরের তল্লাশি ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল রাজ্য রাজনীতি। তাঁর বাড়ির পাশাপাশি দলীয় কার্যালয় ও নির্বাচনী অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা সেই অভিযানে প্রবল উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল এলাকায়। দেবাশিসের সমর্থকেরা বিক্ষোভ দেখান এবং অভিযোগ তোলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এই অভিযান চলছে। তৃণমূলের তরফেও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয় এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়।এই পরিস্থিতিতে আবারও ইডির হানায় ভোটের আগে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়বে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তদন্ত কতদূর গড়ায় এবং নতুন কী তথ্য সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর সবার।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধবিরতির মাঝেই বিস্ফোরণ! ট্রাম্পকে ‘মিথ্যেবাদী’ বলল ইরান, বাড়ল উত্তেজনা

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে আপাতত দুই সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতি চলছে। তারই মধ্যে এক সপ্তাহ কেটে গেলেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমার কোনও লক্ষণ নেই। বরং পাল্টা আক্রমণ এবং কড়া বক্তব্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল ইরান। ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ দাবি করেছেন, ট্রাম্প অল্প সময়ের মধ্যেই একাধিক মিথ্যা দাবি করেছেন। যদিও ঠিক কোন দাবিগুলি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন, তা স্পষ্ট করেননি।শুক্রবার ট্রাম্পের বক্তব্যের সময়ই সামাজিক মাধ্যমে এই মন্তব্য করেন ঘালিবাফ। তিনি স্পষ্ট করে জানান, আমেরিকার অবরোধ চালু থাকলে হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হবে না। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল ইরানের নিয়ম মেনে এবং তাদের অনুমতি নিয়েই করতে হবে।এর পরেই ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। তাদের দাবি, আমেরিকা প্রতিশ্রুতি ভেঙেছে এবং এখনও ইরানের বন্দরগামী জাহাজগুলির উপর অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র কথার ভিত্তিতে নয়, বাস্তব পরিস্থিতির উপর নির্ভর করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগে যদিও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ খুলে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সিদ্ধান্ত বদল করা হয়েছে।

এপ্রিল ১৯, ২০২৬
দেশ

লোকসভায় বড় ধাক্কা, বিল পাশ না হতেই পথে বিজেপি! এবার লক্ষ্য বাংলা-তামিলনাড়ু

লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এই প্রথম সংসদে এমন পরাজয়ের মুখে পড়তে হল সরকারকে। প্রয়োজনীয় সমর্থন না মেলায় বিলটি পাশ করা সম্ভব হয়নি।এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শাসকদল (BJP) এবার দেশজুড়ে প্রচারে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিরোধীদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তাদের মহিলা বিরোধী বলে তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।এই প্রচারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে দুই রাজ্যকে, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু। কারণ, এই দুই রাজ্যেই সামনে নির্বাচন রয়েছে। শাসকদলের লক্ষ্য, মহিলাদের জন্য সংরক্ষণে বিরোধিতা করেছে বিরোধীরাএই বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া (BJP) ।সংসদে বিল পাশ না হওয়ার পরই শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকে বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। এর পাশাপাশি মহিলা সাংসদদের নেতৃত্বে প্রতিবাদও শুরু হয় সংসদ চত্বরে।অন্যদিকে বিরোধী দলগুলিও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে তৎপর। তারা দাবি করছে, তারা সংরক্ষণের বিরোধী নয়, বরং আসন পুনর্বিন্যাসের কিছু বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। তাদের মতে, মহিলাদের সংরক্ষণের পক্ষে তারা আগেও ছিল, এখনও রয়েছে (BJP) ।এই পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যেই রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হচ্ছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় এই ইস্যু আগামী দিনে বড় রাজনৈতিক অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বুথে ‘লক্ষ্মণরেখা’! একশো মিটার ঘিরে কড়া পাহারা, ভোটে নজিরবিহীন কড়াকড়ি

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবার একের পর এক নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি বুথে থাকবে সর্বক্ষণ নজরদারি এবং ব্যবহার করা হবে আধুনিক প্রযুক্তি। বুথের চারপাশে প্রায় একশো মিটার এলাকা সাদা চক দিয়ে ঘিরে একটি নির্দিষ্ট সীমানা তৈরি করা হবে। এই সীমানার ভিতরে শুধুমাত্র ভোটারদেরই প্রবেশের অনুমতি থাকবে, অন্য কেউ ঢুকতে পারবেন না।ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য বুথের বাইরে আলাদা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। বুথ লেভেল কর্মী এবং তাঁর সহকারী এই নির্দিষ্ট সীমানার বাইরে বসে নথি পরীক্ষা করবেন। বুথের বাইরে টেবিল বসিয়ে সেখানেই এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।ভোটার স্লিপ বিলির ক্ষেত্রেও কড়া নির্দেশ জারি হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরাসরি ভোটারদের হাতে স্লিপ পৌঁছে দিতে হবে। যাঁদের হাতে স্লিপ দেওয়া সম্ভব হয়নি, তাঁদের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। ভোটের দিন সেই ভোটার উপস্থিত হলে কেন আগে স্লিপ নেননি, তাও জানতে চাওয়া হতে পারে। সঠিক নথি ও ছবির মিল দেখেই ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।ভুয়ো ভোট আটকাতে অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত বা মৃত ভোটারদের তালিকাও আবার খতিয়ে দেখা হবে। নজরদারি আরও জোরদার করতে বিশেষ পর্যবেক্ষকদের শরীরে লাগানো ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। বুথের আশেপাশে কোনও সন্দেহজনক ঘটনা নজরে এলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ভোট প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নির্ভুল করতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। ভোটারদের আস্থা ফেরানো এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভোট চলাকালীন কোন আচরণ অপরাধ হিসেবে ধরা হবে, তা নিয়ে আগাম প্রচার চালানো হবে এবং সতর্কবার্তা দেওয়া হবে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

পনেরো ঘণ্টার তল্লাশি ঘিরে তুমুল বিতর্ক! কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

শুক্রবার দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। প্রায় পনেরো ঘণ্টা ধরে এই তল্লাশি চলে এবং সেই সময় তাঁর বাড়ির বাইরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস তীব্র আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে।তৃণমূলের অভিযোগ, কোনও আইনি ভিত্তি ছাড়াই একজন জনপ্রতিনিধিকে এইভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। আদর্শ আচরণবিধি চলাকালীন এই ধরনের পদক্ষেপ আইন বিরুদ্ধ বলেই দাবি করা হয়েছে চিঠিতে। কেন ভোটের আগে এত দীর্ঘ সময় ধরে একজন প্রার্থীকে বাড়ির মধ্যে আটকে রেখে তল্লাশি চালানো হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় নিজেদের সম্পত্তির সমস্ত তথ্য আগেই জানিয়ে দেন। সেই অবস্থায় হঠাৎ করে এই তল্লাশি কেন করা হল, তা স্পষ্ট নয়। তৃণমূলের দাবি, এই ধরনের পদক্ষেপ ভোটের আগে রাজনৈতিকভাবে প্রভাব ফেলতেই করা হচ্ছে।দলের এক নেতা বলেন, ভোটের আগে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের চাপে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগের নির্বাচনেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।ভোটের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal